1. dailyprobatibangladesh@gmail.com : daily probati bangladesh : daily probati bangladesh
  2. live@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
  3. info@www.dailyprobatibangladesh.com : দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ :
লেমুয়ায় মাদ্রাসার একাধিক ছাত্রীকে অসদাচরণের অভিযোগ, পলাতক প্রধান শিক্ষক - দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্রাক্ষণবাড়িয়া নবীনগরে পুকুরে ডুবে ১১ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃ ত্যু। হাম পরিস্থিতি পরিদর্শনে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান* পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নির্যাতন বন্ধ ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবিতে সুনামগঞ্জ জেলা জমিয়তের বিক্ষোভ মিছিল। গভীর শোকের ছায়াঃ-বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ইন্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই স্ত্রীর প্রতি স্বামীর সম্মান মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে মাসুদ সাঈদী এমপি। শালিকের আত্মসাৎ কৃত টাকা ফেরত চাওয়ায় অপহরণের নাটক সাজান স্বাধীন প্রদত্ত ছবিটি বিশ্লেষণ করে ব্রিজের গাইড ওয়াল বা পিলারের নির্মাণকাজে একাধিক স্পষ্ট সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বা গাঠনিক ত্রুটি (Structural Defects) চিহ্নিত করা হলো: সন্তান কর্তৃক তার নিজের মাকে মারধর করা, অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা এবং জোরপূর্বক জমিজমা বা সম্পত্তি কেড়ে নেওয়া চেষ্টা। মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে কক্সবাজার থেকে গ্রে ফ তা র করেছে র‌্যাব-১৫

ভিডিও সংবাদ 👇👇

লেমুয়ায় মাদ্রাসার একাধিক ছাত্রীকে অসদাচরণের অভিযোগ, পলাতক প্রধান শিক্ষক

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা প্রতিনিধি

ফেনী সদর উপজেলার নেয়াজপুরে নূরানি ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় চাঞ্চল্য; ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর বিচার দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের নেয়াজপুর গ্রামে অবস্থিত একটি নূরানি ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।অভিভাবক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ কয়েকজন ছাত্রী নিজেদের মধ্যে আলাপচারিতার সময় তাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া কিছু অস্বস্তিকর ঘটনার বিষয়ে আলোচনা করছিল।এ সময় পাশে থাকা এক অভিভাবক বিষয়টি শুনে সন্দেহ প্রকাশ করেন। পরে তিনি নিজের মেয়ের কাছে জানতে চাইলে মেয়েটি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে।এরপর ধীরে ধীরে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী একই ধরনের অভিযোগের কথা জানায়।অভিযোগ অনুযায়ী, মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলাম বিভিন্ন সময় ছাত্রীদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করতেন এবং তাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।শিক্ষার্থীরা জানায়, বিষয়টি কাউকে জানালে তাদের ক্ষতি হতে পারে বলে ভয় দেখানো হয়েছিল, ফলে দীর্ঘদিন তারা বিষয়টি প্রকাশ করতে সাহস পায়নি।এক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বিষয়টি মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হাফেজ রিয়াজ উদ্দিনকে জানালে ঘটনাটি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরপরই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মাদ্রাসা থেকে সরে যান এবং বর্তমানে তাকে আর পাওয়া যাচ্ছে না।এদিকে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাটি প্রকাশ না করার জন্য মাদ্রাসার পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি গোপন রাখার অনুরোধ করা হয়েছিল।এতে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।পরদিন ৯ মার্চ সকাল ১০টার দিকে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মাদ্রাসায় গিয়ে ঘটনার বিষয়ে জানতে চান।এ সময় মাদ্রাসায় অন্যান্য শিক্ষক উপস্থিত থাকলেও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে সেখানে পাওয়া যায়নি।মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্যদের ডাকা হলেও শুরুতে কেউ উপস্থিত হননি।পরে পরিচালনা কমিটির সদস্য রহমত উল্লাহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাকে পুরো বিষয়টি জানানো হয়।এ সময় ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।পাশাপাশি বিচার না হওয়া পর্যন্ত মাদ্রাসার নূরানি বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন তারা।ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থীর পরিবারের অভিযোগ, ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তাদের দাবি, পরিচালনা কমিটির সদস্য রহমত উল্লাহ ও সহকারী শিক্ষক শাহাদাত হোসেন কয়েকটি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন।এ সময় কথাকাটাকাটির ঘটনাও ঘটে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মমিনুল হককে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে।এলাকাবাসীর দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর না ঘটে।অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা।উল্লেখ্য, স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী এর আগেও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার অর্থ আত্মসাৎ, অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং অভিভাবকদের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত ফোন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।তবে এসব বিষয়ে এখনো প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট