
গাজীপুরের টঙ্গীর ৪৬নং ওয়ার্ডের তুখোড় যুব নেতা, ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শাহিন আহমেদ রিজভীকে আটকের ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। একজন জনপ্রিয় ও সমাজসেবক নেতাকে আটকের বিষয়টিকে ‘অন্যায়’ দাবি করে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে স্থানীয় এলাকাবাসী ও সাধারণ মানুষ। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে টঙ্গীর হিমারদিঘী কেরানীটেক এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানের নামে পুলিশ কয়েকজন সাধারণ মানুষকে আটক করে। এলাকাবাসীর দাবি, আটককৃতদের মধ্যে কয়েকজন সম্পূর্ণ নিরপরাধ ছিলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন শাহিন আহমেদ রিজভী। তিনি একজন দায়িত্বশীল নেতার ভূমিকা পালন করতে গিয়ে পুলিশের কাছে জানতে চান— “কিসের ভিত্তিতে নিরপরাধ মানুষদের আটক করা হচ্ছে? অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ মানুষের পক্ষে কথা বলা এবং পুলিশের এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানানোর কারণেই পরবর্তীতে তাকেও আটক করা হয়।
রিজভীর আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে ৪৬নং ওয়ার্ড জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা জানান, শাহিন আহমেদ রিজভী কেবল একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি এলাকার একজন দানশীল ও পরোপকারী মানুষ। “কাজী পরিবহন” ও ফোন-ফ্যাক্সের ব্যবসার পাশাপাশি তিনি তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত কাজ করতেন। এলাকাবাসীর প্রশ্ন— “নিরপরাধ মানুষের অধিকারের পক্ষে কথা বলা কি এখন অপরাধ?” ঘটনার পর থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শাহিন আহমেদ রিজভীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে শতশত পোস্ট ও স্ট্যাটাস দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা প্রশাসনের এই ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করছেন এবং অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকার সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। যদি রিজভীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ না থাকে, তবে জনগণের এই প্রিয় নেতাকে দ্রুত মুক্তি দিয়ে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।