
চন্দ্রবিন্দুর[৺] অভাব
-উম্মে হাবিবা ফারজানা
মানুষ ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে
একটু শান্তির আশায় ঘরে ফেরে।
আবার কেউ ঘরের ক্লান্তি মুছতে
শান্তির খোঁজে বাইরে পা বাড়ায়।
কেউ বাইরে থেকে তালা খুলতে খুলতে
অপেক্ষা করে—
একদিন ভেতর থেকে কেউ একজন
সিটকিনিটা খুলে দেবে।
আবার কেউ কেউ
ভেতর থেকে কারও জন্য
সিটকিনি সরাতে সরাতে
একসময় অপেক্ষার কাছে হেরে যায়।
একটা চন্দ্রবিন্দুর[৺] অভাবে-
কত মানুষ ‘বেঁচে’ থাকাকে ‘বেচে’ দিয়েছে!
কত সাজানো ‘গাঁদা’ ফুলের বাগান
খড়ের ‘গাদা’য় পরিণত হয়েছে
অযত্নের আগুনে।
কত সোনায় ‘বাঁধা’ সংসার
অদৃশ্য এক ‘বাধা’র কাছে
নিঃশব্দে থমকে গেছে।