শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
Title :
সুন্দরগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান সুবিপ্রবি ভিসির সঙ্গে সুনামগঞ্জ ও শান্তিগঞ্জের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা শেরপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা তালায় ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত ঠাকুরগাঁওয়ে ভ্যান চালকের বাড়িতে আগুন,পুড়ে ছাই প্রায় লাখ টাকার মালামাল। ফরিদপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত, মর্যাদাপূর্ণ বার্ধক্য নিশ্চিতের আহ্বান সৈয়দপুর পৌরসভার ৯২ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকার বাজেট ঘোষণা লুৎফুর রহমানের মায়ের মৃত্যুতে এমপি কয়ছর এম আহমেদের গভীর শোক প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর উপলক্ষে চান্দিনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় ঢাকা জেলা পুলিশ ও হিজড়া সম্প্রদায়ের যৌথ আলোচনা সভা

সাপাহারে করমুডাঙ্গা জোয়াকিয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীর চেয়ে দ্বিগুণ শিক্ষক

  • Update Time : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪৪ Time View

মোঃ হামিদুর রহমান, নওগাঁ।

নওগাঁর সাপাহারে করমুডাঙ্গা জোয়াকিয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীর চেয়ে দ্বিগুণ শিক্ষক বলে জানা গেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১লা সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে সরজমিনে উক্ত প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায় শুধুমাত্র দশম শ্রেণীতে চারজন শিক্ষার্থী দিয়ে পাঠদান করাচ্ছেন একজন শিক্ষক বাকি সব শ্রেণিকক্ষে নেই কোন শিক্ষার্থী। কাগজ কলমে শত শত শিক্ষার্থী থাকলেও বাস্তবে এর কোন মিল নেই। ১৫ জন শিক্ষকের পাঠদানে প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ৮ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী।

আছে শিক্ষক, আছে শ্রেণিকক্ষ নেই শুধু শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানের প্রধান,সুপার মোজাম্মেল হক এর দেয়া তথ্য মতে কাগজ কলমে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৯৯ জন এর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ছাত্র ৫৮ ছাত্রী ১৪ জন সপ্তম শ্রেণীতে ছাত্র ৩৭ জন ছাত্রী ৭ জন,অষ্টম শ্রেণীতে ছাত্র ৪৬ জন ছাত্রী ১৩ জন। নবম শ্রেণীতে ছাত্র ৪৬ জন ছাত্রী ৯ জন দশম শ্রেণীতে ছাত্র ৬০ জন ছাত্রী ৯ জন যাহা বাস্তবের সাথে কোন মিল নেই।

ওই মাদ্রাসার নিকটতম স্থানীয় জনসাধারণ জানান মাদ্রাসায় ছাত্র-ছাত্রী না থাকার পরও শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীর সংগ্রহের চেষ্টা না চালিয়ে মাসের পর মাস বেতন তুলে খাচ্ছেন , ১৫ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী প্রতি মাসে বেতন ৪,৮১,৮৫৬/-টাকা। শুধু সরকারের টাকায় খাচ্ছেন না ধ্বংস করে দিচ্ছেন একটি প্রতিষ্ঠানকে। আরো জানা যায় মাদ্রাসাটিতে আলেম শাখা ২০০১ সালে অনুমোদন পেলেও তার কোন কার্যক্রম নেই।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার মোজাম্মেল হক বলেন সন্তোষজনক ফলাফল না হওয়ায় স্থগিত করে দিয়েছে। তিনি শিক্ষার্থী না থাকার বিষয়ে বলেন আমাদের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী আছে কিন্তু কয়েকটি ক্লাস করার পরে চলে যায় আর আসে না,অনেকে টিফিন পিরিয়ডে একেবারে চলে যায়,অনেকে বিভিন্ন অজুহাতে ছুটি নেয়।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শামসুল কবির এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন উপজেলার ৫-৬ টি মাদ্রাসা ব্যতীত সবগুলোই ছাত্র-ছাত্রী দিন দিন কমে যাচ্ছে। এর মূল কারণ হচ্ছে এক্তেদারী শাখায় উপবৃত্তি না থাকা উপবৃত্তির আশায় প্রাইমারী জেনারেল লাইনে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা ভর্তি হচ্ছে।

আর সেখান থেকে তারা পরবর্তী মাদ্রাসা লাইনে আসতে পারছে না। ইবতেদায়ী শাখার উপবৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলে মাদ্রাসাগুলোতে ছাত্র-ছাত্রী কমতি হতো না। তিনি আরো বলেন সাংবাদিকদের ভালো কিছু লেখনির মাধ্যমে মাদ্রাসাগুলো চালু করুন ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews